The word terrorism is now equivalent to 'Pakistan”. All perspectives of terrorism and  terrorist’s enjoy full impunity in Pakistan.  And Pakistanis  gladly accepting  the view that “terrorism in the only way to gain and shine  in South Asia. 
After the 25 March 1971 genocidal attacks on Bangladesh, Pakistan’s openly new  join the era of global genocide. 

The mass killings in Bangladesh in 1971 vie with the annihilation of the Soviet POWs, the holocaust against the Jews, and the genocide in Rwanda as the most concentrated act of genocide in the twentieth century. In an attempt to crush forces seeking independence for East Pakistan, the West Pakistani military regime unleashed a systematic campaign of mass murder which aimed at killing millions of Bengalis, and likely succeeded in doing so.

ফর্মালিন (-CHO-)n হল ফর্মালডিহাইডের (CH2O) পলিমার। ফর্মালডিহাইড দেখতে সাদা পাউডারের মত। পানিতে সহজেই দ্রবনীয়। শতকরা ৩০-৪০ ভাগ ফর্মালিনের জলীয় দ্রবনকে ফর্মালিন হিসাবে ধরা হয়। ফর্মালিন সাধারনত টেক্সটাইল, প্লাষ্টক, পেপার, রং, কনস্ট্রাকশন ও মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। আমাদর মত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে (বাংলাদেশ, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, নাইজেরিয়া ইত্যাদী) ফর্মালিনের মূল ব্যবহারের পাশাপাশি খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে বর্তমানে অনৈতিকভাবে ব্যভার করা হচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নে ফর্মালিন অতিবিপদজনক ক্যাটাগরীতে। ফর্মালিনের বোতলে উপরের ছবিটা ব্যবহার করা বাধ্যতামুলক করা হয়েছে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ র্ফমালিন ত্বকের এলার্জি, নিউমোনিয়া, এ্যাজমা (সাধারনত দীর্ঘদিনের সংস্পর্শে), গলা ব্যথা, ফুসসুসের সংকোচন, নাক ও শ্বাসনালীর পীড়াসহ চোখের ইরিটেশন করতে পারে (ফর্মালিনের বাষ্প)। অত্যাধিক মাত্রায় গ্রহণের ফলে শরীরের অভ্যন্তরীন মেমব্রেন ক্ষতিগ্রস্থ হওয়াসহ ডায়রিয়া, রক্ত বমি, কোলন ক্যানসার (পাইলস- কৃতজ্ঞতা মাটিবাবা ওরফে সত্যের সেনানী), মূত্রে রক্তও দেখা দিতে পারে।
বৈজ্ঞানিকভাবে মানুষের জন্য ফর্মালিনের লিথাল ডোজ হল ৩০ মিলিলিটার। বাতাসে ২ পিপিএমের নিচের মাত্রাকে গ্রহণযোগ্য হিসাবে ধরা যায়।


কিভাবে বুঝবেন খাদ্যে ফর্মালিন দেওয়া?


মাছঃ ফর্মালিন দেওয়া মাছ ও মাছের আষঁটে শক্ত, মাছের কান উল্টালে ভিতরে লাল দেখা যায় (আমার গ্রামে খালসা বা কানটা বলে মনে হয়), মাছ মাছ গন্ধ থাকে না বললেই চলে এবং সর্বপরি সাধারনত খুব কম মাছি ফর্মালিন দেওয়া মাছে বসে( এইখানে উল্লেখ্য যে, সবকিছুই খাচ খেয়ে চলে, দীর্ঘদিন মাছ বাজারের মাছি ফর্মালিনে কিছুটা অভ্যস্থ হলে ফর্মালিন দেওয়া মাছ বাড়িতে আনলে সহজে মাছি ঐ মাছে বসবে না)। ফর্মালিন দেওয়া শুটকি মাছে রান্না করার পরেও শক্তভাবটা যায় না।

ফলঃ ফর্মালিন দেওয়া ফল শনাক্ত করা বেশ কষ্টসাধ্য। কারন অনেক ফলেই ফেরোমন থাকে।


কিভাবে মাছ থেকে ফর্মালিনের দূর করবেন ?


১। পরীক্ষায় দেখা গেছে পানিতে প্রায় ১ ঘন্টা মাছ ভিজিয়ে রাখলে ফর্মালিনের মাত্রা শতকরা ৬১ ভাগ কমে যায়।
২। লবনাক্ত পানিতে ফর্মালিন দেওয়া মাছ ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ ফর্মালিনের মাত্রা কমে যায়।
৩। প্রথমে চাল ধোয়া পানিতে ও পরে সাধারন পানিতে ফর্মালিন যুক্ত মাছ ধুলে শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ ফর্মালিন দূর হয়।
৪। সবচাইতে ভাল পদ্ধতি হল ভিনেগার ও পানির মিশ্রনে (পানিতে ১০ % আয়তন অনুযায়ী) ১৫ মিনিট মাছ ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ১০০ ভাগ ফর্মালিনই দূর হয়।
এছাড়া ফর্মালিন শনাক্তকরণের রাসায়নিক দ্রব্যও বাজারে আজকাল পাওয়া যায় সুলভ  মুল্যে ।

মূলপোষ্ট ও প্রথম প্রকাশ

বর্তমানে লন্ডনে বসবাসকারী মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুর রহমান বেনু কাদঁতে কাদঁতে বললেন এক বুড়িমার কথা। ভারতে সীমান্ত এলাকায় যখন তিনি ক্যাম্পে ক্যাম্পে শরনার্থী আর মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল ধরে রাখতে ঘুরে ঘুরে মুক্তিযুদ্ধের গান করতেন তখন সন্ধান পান এই বুড়িমার। ঐ ক্যাম্পের সবাই জানে বুড়িমা কখনও কারও সাথে কোন কথা বলে না। একদিন মাহমুদুর রহমান গান করে ফিরে আসার সময় বুড়িমা তাকে হাত ধরে বলল বাবা তুই আমার গলাটা টিপে দিয়ে যা। বুড়িমার সামনে পাক বাহিনী তার চার ছেলে, ছেলের বউ ও তাদের ছেলে মেয়ে সবাইকে হত্যা করার পরে বাকরূদ্ধ হয়ে পড়েন এই বুড়িমা।
এ কথাগুলৈ বলছিলেন আর আঝরে কাঁদছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুর রহমান বেনু। তিনিও আরও জানালেন সকাল ৬টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত কিভাবে একটা মিনিবাসে করে ঘুরে ঘুরে সারাক্ষন গান করতেন। এতো গেল শুধু মাহমুদুর রহমানের কথা।
এর আগে ফাহমিদা খাতুন বললেন কিভাবে পাক আর্মির সামনে পাকিস্থানের স্বাধীনতা দিবসে তাদের পতাকা না উড়িয়ে আর জাতীয় সংগীত না বাজিয়ে "আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে....." গানটি বার বার প্রচার করা হচ্ছিল।
সালেহ আহমেদ জানালেন
কিভাবে খালি গায়ে একটা বন্ধ একটা ঘরে
মুক্তিযুদ্ধের গান রেকর্ড করতেন আর চট্টগ্রাম খালুরঘাট থেকে রেডিওর ট্রান্সমিটার চুরি করে নিয়ে গেলেন।

কিভাবে ও কি পটভূমিতে তৈরি হল রণাঙ্গনের সেইসব রক্ত গরম করা গান। যেমন:-
"পাকপশুদের মারতে হবে চলরে নাও বাইয়া
নৌকা মোদের চলে এবার যুদ্ধের সামান লইয়া"
কিভাবে পশ্চিম বাংলার সুরকারও গীতিকারেরা যুক্ত হলেন এই মুক্তিযুদ্ধের গানে।

এইসবই হয়ছে বিবিসি বাংলা বিভাগের আয়োজনে। চমৎকার একটা অনুষ্ঠান, সংগ্রহে রাখার মত কিছু জানা-অজানা কথা।
এরকম আরও একটা অনুষ্ঠান করছিল বিবিসি বাংলা বিভাগ ১৯৯৬ সালে। অনেক খুঁজেও পেলাম না সেই অনুষ্ঠানের বিস্তারিত তাই এবার নিজেই রেকর্ড করলাম আর আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।


কথা দিচ্ছি সময়ের অপচয় হবে না কারও।
এখনও পুরো অনুষ্ঠানই শুনতে পারবেন বিবিসি বাংলা বিভাগ থেকে সরাসরি।
আর পুরো অনুষ্ঠানটা ডাউনলোড করতে পারবেন এইখান থেকে মিডিয়া ফায়ারের লিংক।



ছবিসূত্র: উইকি, নালান্দা ইউনিভারসিটির আংশিক মানচিত্র
আপনাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় দুনিয়ার সবচেয়ে প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি? আপনি না জানলেও গুগোলিং করে পেয়ে যাবেন ইটালীর বোলোংগা অথবা প্যারিস ইউনিভারসিটি। কিন্তু বাস্তবতা হল এদুটো বিশ্ববিদ্যালয় হল ১১শ শতকের। এর প্রায় ১৬ শত বছর পূর্বে এই ভারতীয় উপমহাদেশে (বর্তমানে পাকিস্থানের পান্জাবে) টাক্সিলা নামে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ধান পাওয়া যায়। সরাসরি এটাকে বিশ্ববিদ্যালয় বলতে অনেকে আপত্তি তুললেও কখনই পৃথিবীর প্রথম উচ্চ শিক্ষাকেন্দ্র হিসাবে স্বীকৃতি দিতে কার্পণ্য করেনি।

টাক্সিলাকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি না দিলেও নালান্দাকে বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে সবাই স্বীকার করে। রাজা অশোকা খ্রীষ্টপূর্ব ২৭৩-২৩৩ তে এর স্থাপনা শুরু করলেও মূলত ৬ শতকে এর পূর্ণ বিকাশ ঘটে (গুপ্ত শাষনামলে) এবং পূর্ণ উচ্চ শিক্ষকেন্দ্র হিসাবে চালু হয় এবং তা চলে ১১৯৭ সাল পর্যন্ত। এর অবস্থান বর্তমান ভারতের বিহারে।

আজও নালান্দাকে পৃথিবীর সবচাইতে পুরাতন পুর্ণাঙ্গ উচ্চ শিক্ষাকেন্দ্র হিসাবে গণ্য করা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিল সমৃদ্ধশালী পাঠাগার যাকে ট্রুথ অব মাউনটেইন বলা হত। এতে লক্ষ লক্ষ বই ও গবেষনা পত্র ছিল। তিনটি ভিন্ন ভিন্ন বিল্ডিং এই পাঠাগার বিস্তৃত ছিল যার প্রত্যেকটার উচ্চতা নয় তলার সমান ছিল। তিনটি পাঠাগারের নাম ছিল সী অব জুয়েলস, ওশান অব জুয়েলস এবং ডিলাইটার অব জুয়েলস। এই তিন জুয়েল কে একসঙ্গে বলা হত ট্রুথ অব মাউনটেইন।

এই উচ্চ শিক্ষাকেন্দ্রে মেডিসিন, ফিলোসপি, সায়েন্সসহ বিভিন্ন বিষয়ে পাঠদান করা হত।

১১৯৩ সালে তথাকথিত ইসলামের মুখোশ পরা টার্কিশ বখতিয়ার খিলজি নালান্দা আক্রমন করে এবং প্রায় সমস্ত শিক্ষক ছাত্রকে হত্যা করে, সব পাঠাগারে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় যা পুড়তে কয়েকমাস সময় লাগে। এরই সাথে শেষ হয় এই উপমহাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী জ্ঞানভান্ডার।

আমাদের দেশে এখনও অনেক বুদ্ধিজীবি, কবি, সাহিত্যিক আছেন যারা প্রকৃত ইতিহাস আড়াল করে বখতিয়ার খিলজিকে তাদের বাপের আসনে বসিয়েছে (উদাহরণ হিসাবে আল মাহমুদের বখতিয়ারের ঘোড়াগুলো'র কথা বলা যেতে পারে যেখানে তিনি বখতিয়ারকে দেখিয়েছে মুসলিমের ত্রাণকর্তা হিসাবে)। ১৯৭১ এ পাক আর্মি আর এদেশের রাজাকাররা মিলে যেমন আমাদের সব শিক্ষক, ডাক্তার আর বুদ্ধিজীবিকে হত্যা করেছে তার সূচনাটা করেছে এই উপামহাদেশে এই হারে হারামজাদা বখতিয়ার খিলজি।

নালান্দার স্মৃতি ধরে রাখতে উইয়র্ক টাইমস, জাপান, চীন আর ইন্ডিয়া মিলে এই নালান্দা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভারসিটি নামে নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয় চালু করতে যাচ্ছে।

অভাব অনটনের সংসারে রেনু (ডিভোর্সী; কেন ও কিভাবে এইকথা জানা যায় না সিনেমা দেখে) একমাত্র উপার্জনকারী। মায়ের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য মধ্যবিত্ত পরিবারের একজন মধ্যবয়স্কার মতই। রেনুর বড় ভাই অন্ধ, ছোট ভাই ঢাবির ছাত্র ও নেশাখোর। রেনু কাজ করে একটা এনজিওতে। তার কাজ মাদকসেবীদের সম্পর্কে তথ্য যোগাড় করে। এমনই এক মাদকসেবী ইমারনের সাথে সম্পর্ক হয়ে যায় রেনুর। এই সম্পর্কের কথা জেনে বিচলিত হয়ে পরে রেনুর মা, তার সংসারের ভবিষ্যতের কথা ভেবে। এক পর্যায়ে প্রেগন্যান্ট হয়ে যায় রেনু। এরপরে পাবলিক পিটুনীতে মারা যায় ইমরান। কাহিনীতে আর তেমন কিছু বলার নাই।

এই সিনেমার কাহিনীকে আমার কাছে মনে হয়েছে খুবই দূর্বল। এনজিও কর্মীদের অফিসের অভিনয়ে দেখা গেছে ফারুকী টাইপের অভিনয়। বাহিরের সুটিংগুলোতে ক্যামেরাম্যানের দক্ষতার দূর্দশা যে কারই চোখে পরবে বিশেষ করে মাদকসেবীদের সাক্ষাতকার গ্রহনের জন্য চলাফেরার দৃশ্যগুলো। কখনও কখনও মনে হয়েছে ক্যামেরাম্যান হয়ত ঘুমেই পরেছিল। কয়েকটি জায়গায় তাই মনে হতে পারে-যেমন একটা ছেলেকে গণপিটুনীর সময়ে রেনুর অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার পরে ঐ ছেলেটির নিস্ফল হাহাকার। একেবারে যেনতেনভাবে ফ্লাশ ব্যাক, যেমন টেলিভিশন কিনে ফিরে আসা, রেনু অন্ধ ভাই রোকনকে নিয়ে রেললাইন ধরে হাঁটা, কল্পনায় নৌকা ও ট্রেনের দৃশ্যগুলো সবাইকেই বিরক্ত করবে নিশ্চিতভাবেই। পরিচালকই ভাল বলতে পারবেন এইসবের মর্মকথা।

আমাদের নিম্ন-মধ্যবৃত্তীয় জীবনের সচরাচর ঘটে চলা আখ্যানটাই হয়ত বলতে চেয়েছেন ছবির পলিচালক। রেনুর অনুভূতি ও তার পরিবার কেন্দ্রিক সংকট, পরিবারের টানাপোড়ন কিছুটা চিহ্নিত করতে পারলেও দৃশ্যায়নে পরিচালক শতভাগ ব্যর্থ হয়েছে।